অনলাইন স্ক্যাম এড়াবেন যেভাবে
প্রতারণার নতুন ফাঁদ পেতে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সাইবার জালিয়াতরা। জালিয়াতির একটি কূটকৌশল অনলাইন স্ক্যাম। অনেকেই না অনেকেই পড়েন এই ফাঁদে। কিন্তু কিভাবে চিনবেন স্ক্যাম। এবার আসুন যেনে নেয়া যাক সেই বিষয়টি। অনলাইন স্ক্যাম এড়াবেন যেভাবে-
১. হ্যাকারাও হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে ফন্দি আঁটছে আপনাকে সর্বশান্ত করতে। আর তাইতো, আপনার ইমেইলে, ফোনে, কলে জাল পেতে রেখেছে। পাঠাচ্ছে ম্যালিসিয়াস ওয়েবসাইটের লিংক। এসব লিংকে ক্লিক করলেই আপনি ফেঁসে যাবেন।
২. এখন অনেক ওয়েবসাইট, ব্লগ সাইটে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছে। হ্যাকারা একে কাজে লাগিয়েছে ম্যালিসিয়াস ওয়েবসাইট তৈরি করে ফাঁদ পেতেছে। এসব সাইটে ঢুকলেই আপনি শেষ! করোনাভাইরাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে ভিজিট করুন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ওয়েবসাইট।
৩. অপরিচিত কোনও মানুষের পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। আপনার বন্ধু এবং পরিবারের কাছ থেকে আসা লিঙ্ক নিয়েও যথেষ্ট সতর্ক থাকুন।
৪. আপনি যদি মনে করেন যে লিঙ্কটি একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, ই-কমার্স সাইট বা ব্যাংক ওয়েবসাইট থেকে এসেছে, সে ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। কারণ কখনও কখনও ভুয়া নামেও লিঙ্ক তৈরি করা হয়।
৫. লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু- তাই লোভের বশবর্তী হয়ে এই ধরনের ভুয়া চাকরির প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করবেন না। বিশেষ করে যখন এই বিপুল পরিমাণ বেতনের কথা বলা হয়। এই যেমন- ঘরে বসে টাকা আয়ের লোভ দেখিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে হ্যাকাররা। হ্যাকাররা ফাঁদ পাততে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেয়। তারা বলে, আপনাকে কিছুই করতে হবে না শুধু ভিডিও দেখলেই চলবে, এই লিংকে ক্লিক করুন। যদি এই কাজটা করেন তবে আপনি ফেঁসে যাবেন।
৬.ওয়েবসাইটে কোনও অনলাইন পেমেন্ট করবেন না। সর্বদা প্রথমে কোম্পানির URL চেক করুন। URL-এ https:// লেখা আছে কি না, তাও পরীক্ষা করে দেখুন। এক মাত্র এর দ্বারাই সিকিওর কানেকশন সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন।
৭. সর্বদা ওয়েবসাইটের বানান ভাল করে দেখে নিন। জাল ওয়েবসাইটে সাধারণত ভুল বানান ব্যবহৃত হয়।
৮. ৪. করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সহযোগিতার জন্য অনেক সাইট ফান্ড রেইজ করছে। এসব সাইটে গিয়ে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায়। হ্যাকারা এসব সাইট থেকে দাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের গোপন তথ্য হ্যাক করে।